আমাদের গল্প
কীভাবে শুরু হয়েছিল 999jay-এর যাত্রা
২০১৮ সালের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন বেটিং মানেই ছিল অনিশ্চয়তা — অ্যাকাউন্ট খুলতে সমস্যা, পেমেন্টে ঝামেলা, আর সবচেয়ে বড় কথা, বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই। এই শূন্যতাটা দেখেই একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা 999jay তৈরির পরিকল্পনা করেন।
লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের বাস্তবতার সাথে মানানসই একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো। যেখানে বিকাশে টাকা পাঠানো যাবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাবে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — যেটা সত্যিকার অর্থে নিরাপদ।
শুরুটা ছিল ছোট। মাত্র কয়েক হাজার ব্যবহারকারী নিয়ে। কিন্তু যখন দেখা গেল মানুষ বিশ্বাস করছে, টাকা ঠিকঠাক পাচ্ছে, এবং ক্রিকেট বেটিংয়ে মজা পাচ্ছে — তখন থেকে 999jay আর পেছনে ফিরে তাকায়নি।
আমরা কী বিশ্বাস করি?
999jay মনে করে, বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটা মাধ্যম — যেটা মানুষকে খেলার আনন্দকে আরও গভীরভাবে অনুভব করতে সাহায্য করে। একটা ক্রিকেট ম্যাচ দেখার সময় যদি আপনার প্রিয় দলের পক্ষে একটা ছোট বাজি থাকে, সেই উত্তেজনাটা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কিন্তু এই আনন্দটা যেন কখনো বোঝায় পরিণত না হয়, সেটা নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব। তাই 999jay-এ দায়িত্বশীল বেটিং শুধু একটা পেজ নয় — এটা আমাদের সংস্কৃতির অংশ।
"আমরা যখন 999jay শুরু করেছিলাম, তখন একটাই স্বপ্ন ছিল — বাংলাদেশের মানুষ যেন নির্ভয়ে, আনন্দের সাথে অনলাইনে বেটিং করতে পারে। আজ লক্ষাধিক মানুষের বিশ্বাস দেখে মনে হয় পথটা সঠিক ছিল।"
প্রযুক্তিতে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি?
999jay-এর পেছনে আছে একটা শক্তিশালী প্রযুক্তি অবকাঠামো। লাইভ অডস রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়, পেমেন্ট সিস্টেম ৯৯.৯% আপটাইমে চলে, এবং প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত।
মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে পুরো প্ল্যাটফর্মটা ডিজাইন করা হয়েছে। বাংলাদেশে ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে ব্রাউজ করেন — তাই 999jay-এর মোবাইল অভিজ্ঞতা সবসময় ডেস্কটপের মতোই মসৃণ।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিশেষভাবে তৈরি
বাংলাদেশের বাস্তবতা বোঝা ছাড়া এই দেশের মানুষের জন্য ভালো পরিষেবা দেওয়া সম্ভব না। তাই 999jay-এ বিকাশ, নগদ, রকেটে পেমেন্টের সুবিধা আছে। সাপোর্ট বাংলায়। অডস ক্রিকেট-কেন্দ্রিক।
যখন বাংলাদেশ মাঠে নামে, তখন 999jay-এ সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক হয়। এটাই প্রমাণ করে আমাদের ব্যবহারকারীরা কতটা ক্রিকেটপ্রেমী। আমরাও তাদের এই আবেগকে সম্মান করি।
আমাদের দায়িত্ব
999jay বিশ্বাস করে, একটা ব্যবসার সাফল্য শুধু মুনাফায় মাপা যায় না। আমাদের ব্যবহারকারীরা যদি সুরক্ষিত থাকেন, যদি তাদের ডেটা গোপন থাকে, এবং যদি তারা দায়িত্বশীলভাবে বেটিং করেন — তাহলেই আমরা সফল।
তাই আমরা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ রাখি, ডিপোজিট লিমিটের সুবিধা দিই, এবং প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট বিরতি নেওয়ার অপশন রাখি। 999jay শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম নয়, এটা একটা দায়িত্বশীল সম্প্রদায়।
আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যবহারকারীর কথা সবার আগে থাকে। নতুন ফিচার আনার আগে আমরা জানতে চাই — এটা কি আমাদের ব্যবহারকারীর জীবন সহজ করবে? যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলেই এগোই। না হলে পিছিয়ে আসি।